স্পেসবার পরীক্ষা
দশ সেকেন্ড ধরে স্পেসবারে ঠোকাঠুকি। আপনার বুড়ো আঙুল তৈরি?
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
স্পেসবার কি-বোর্ডের সবচেয়ে লম্বা চাবি, আর নামা-ওঠার দূরত্বও এখানেই সবচেয়ে স্পষ্ট: মডেল অনুযায়ী চাপ ধরা পড়ার আগে দুই থেকে চার মিলিমিটার নামাতে হয়। এই কারণেই এখানে মাউসের বোতামের চেয়ে স্পষ্টতই কম গতিতে চাপ পড়ে। একটামাত্র বুড়ো আঙুলে স্বাভাবিক ছন্দ থাকে সেকেন্ডে ৫ থেকে ৭টা চাপের আশপাশে; তার ওপরে উঠতে হলে দুটো আঙুল বা দুই হাত পালা করে চালাতে হয়।
বাইরের কয়েকটা জিনিস ফল বদলে দেয়। প্রথমে কি-বোর্ডের ধরন: মেমব্রেনে একটা রবারের গম্বুজ চ্যাপটা করতে হয়, যেটা পরের চাপের আগে আবার উঠে আসতে হয়; অন্যদিকে কম গভীরতার মেকানিক্যাল সুইচ অনেক তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে যায়। তারপর অপারেটিং সিস্টেম: কিছু কি-বোর্ড আর কিছু কনফিগারেশন সেকেন্ডে একশোর বেশি ঘটনা পাঠায় না, যা এখানে যথেষ্ট হলেও খুব কাছাকাছি দুটো চাপ এক করে ফেলতে পারে। শেষে ক্লান্তি, যা দশ সেকেন্ডেই এসে পড়ে: পরীক্ষার শেষ এক-তৃতীয়াংশ প্রায় সবসময়ই প্রথমটার চেয়ে ধীর, আর সেটাই স্বাভাবিক।
এই পরীক্ষা যা মাপে না: আপনার আসল টাইপিং গতি। একটামাত্র চাবিতে ঠোকাঠুকির সঙ্গে আলাদা আলাদা অক্ষর পরপর চালানোর কোনো সম্পর্ক নেই — ওখানে দুই হাতের সমন্বয় আর কি-বোর্ডের স্মৃতিটাই আসল। তার জন্য একটা টাইপিং পরীক্ষা অনেক বেশি কাজের।
কীভাবে কাজ করে
গোনা শুরু হয় স্পেসবারে আপনার প্রথম চাপে আর চলে দশ সেকেন্ড। ব্রাউজার যে প্রতিটা চাপের ঘটনা পাঠায় সেটা একবার করে গোনা হয়; চাবি চেপে ধরে রাখার ফলে হওয়া স্বয়ংক্রিয় পুনরাবৃত্তি ধরা হয় না। শেষ স্কোর হলো মোট চাপের সংখ্যাকে দশ দিয়ে ভাগ করা।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।