🔢

সংখ্যা মনে রাখার পরীক্ষা

একটা সংখ্যা আসে, মিলিয়ে যায়, আপনি আবার টাইপ করেন। প্রতি দফায় একটা অঙ্ক বাড়ে।

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

একবার শোনা বা দেখা একটা অঙ্কের ধারা মনে রাখার ক্ষমতাকে বলা হয় স্মৃতির পরিসর। বড় মানুষের ক্ষেত্রে এটা সাতটা ঘরের আশেপাশে ঘোরে, দুই দিকে দুইয়ের হেরফের নিয়ে: স্মৃতির মনোবিজ্ঞানে এটাই সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত ফল, আর ঐতিহাসিকভাবে ফোন নম্বর সাত অঙ্কের হওয়ার কারণও এটাই। সাম্প্রতিক কাজ কার্যস্মৃতির আসল ধারণক্ষমতা আরও নিচে, চারটে ঘরের আশেপাশে বসায়, বাকিটা আসে দল বাঁধার কৌশল থেকে।

এই দল বাঁধাই ভালো স্কোরের গোটা রহস্য। ৪ ৭ ১ ৯ ২ ৬ মনে রাখতে ছটা জায়গা লাগে; ৪৭ ১৯ ২৬ মনে রাখতে তিনটে। নয়-দশ অঙ্কের পরে কেউ কাঁচা ধারাটা জমায় না: জোড়ায় ভাগ করে নেয়, একটা সন চিনে ফেলে, একটা পোস্টকোড, একটা বয়স। ভেতরে ভেতরে আওড়ানোর ভূমিকাও ঠিক তেমনই গুরুত্বপূর্ণ, আর এই কারণেই পাশের শব্দ, পাশে কারও কথা বলা, এমনকি কথাসমেত গানও ফলটা স্পষ্টভাবে নামিয়ে দেয়।

মাপার সীমাগুলো সত্যিই আছে। স্কোর নির্ভর করে কতক্ষণ দেখানো হলো তার ওপর, আবার টাইপ করার সময় আপনার আঙুলের গতির ওপর, আর অনেকটাই ক্লান্তির অবস্থার ওপর: ঘুমের ঘাটতি প্রায় সব কাজের আগে কার্যস্মৃতিতেই আঘাত করে। এই ধরনের পরীক্ষা আপনার দীর্ঘকালীন স্মৃতি নিয়ে কিছু বলে না, মুখ, পথ বা পড়া বিষয় মনে রাখার ক্ষমতা নিয়েও নয়। ওগুলো আলাদা ব্যবস্থা।

কীভাবে কাজ করে

চার অঙ্কের একটা সংখ্যা তার দৈর্ঘ্যের অনুপাতে অল্প সময়ের জন্য দেখানো হয়, তারপর মিলিয়ে যায়। আপনি সেটা আবার টাইপ করেন। প্রতিবার ঠিক হলে পরের সংখ্যায় একটা অঙ্ক বাড়ে; প্রথম ভুলেই পরীক্ষা থেমে যায় আর আপনার স্কোর হয় হুবহু ফিরিয়ে দেওয়া সবচেয়ে লম্বা ধারাটা। একটা অঙ্ক ভুল বা ভুল জায়গায় বসলেও সেটা ভুল হিসেবেই গোনা হয়।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।