👆

ক্লিকের গতির পরীক্ষা

পাঁচ সেকেন্ড, একটা বোতাম, আর আপনার তর্জনী। সেকেন্ডে কত ক্লিক?

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

একটা ক্লিক আসলে একটা নিক্ষেপের মতো নড়াচড়া: আঙুল যায়, পৌঁছায়, ফেরে। যিনি কখনো এই নড়াচড়াটা আলাদা করে চর্চা করেননি, পাঁচ সেকেন্ডের জানালায় তাঁর স্বাভাবিক গতি সেকেন্ডে ৬ থেকে ৮ ক্লিক। দশ ছাড়িয়ে গেলে আর আঙুলে ক্লিক হয় না: হয় গোটা হাত কাঁপানো হয়, নয়তো তর্জনী আর মধ্যমা পালা করে চলে।

আপনার আসল দক্ষতার চেয়ে তিনটে জিনিস ফলাফলকে বেশি নড়ায়। প্রথমে মাউস: যান্ত্রিক সুইচের একটা নির্দিষ্ট চাপবিন্দু আর ফেরার পথ থাকে, আর পুরোনো কিছু মডেল এক চাপে দুটো ক্লিক লিখে ফেলে — তাতে স্কোর কৃত্রিমভাবে ফুলে যায়। তারপর পর্দা আর ব্রাউজার: পাতা কেবল প্রতিটি ফ্রেমে নতুন করে আঁকা হয়, ফলে ৬০ হার্টজে আপনি গণনাটা সেকেন্ডে ষোলোবারই নড়তে দেখেন, যদিও ক্লিক ঠিকঠাক গোনা হচ্ছে। শেষে হাতের অবস্থা: স্থানীয় পেশিক্লান্তি কয়েক সেকেন্ডেই জমে, আর প্রথমটার ঠিক পরেই দেওয়া দ্বিতীয় চেষ্টা প্রায় সবসময় খারাপ হয়।

এই পরীক্ষা খুব সরু একটা ক্ষমতা মাপে: পাঁচ সেকেন্ড ধরে একই চাপ পুনরাবৃত্তি করার সর্বোচ্চ হার। এটা রিফ্লেক্সের পরীক্ষা নয়, কোনো গেমে আপনার স্তরের মাপকাঠিও নয়। এটা কেবল বলে, আপনার তর্জনী কত দ্রুত যাওয়া-আসা করতে পারে, আর তার চেয়েও বেশি — সেটা করতে আপনি কোন কৌশল ব্যবহার করছেন।

কীভাবে কাজ করে

ঘড়ি আপনার প্রথম ক্লিকে শুরু হয় আর ঠিক পাঁচ সেকেন্ড চলে। ব্রাউজার যতগুলো চাপ নথিবদ্ধ করে সবই গোনা হয়, তারপর সময় দিয়ে ভাগ করে সেকেন্ডপ্রতি গড় বের করা হয়। পরীক্ষার ঘরের বাইরের ক্লিক গোনা হয় না, আর বোতাম ছাড়াটাও ধরা হয় না: কেবল চাপটাই হিসাবে আসে।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।