বাম মস্তিষ্ক নাকি ডান মস্তিষ্ক পরীক্ষা
ভাবনার ধরন বসানোর জন্য ষোলোটা বিবৃতি: পদ্ধতি নাকি স্বজ্ঞা।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
একটা কথা গোড়াতেই পরিষ্কার করে নেওয়া যাক: "যুক্তিবাদী" বাম মস্তিষ্ক আর "সৃষ্টিশীল" ডান মস্তিষ্কের ধারণাটা একটা জনপ্রিয় সরলীকরণ, যা স্নায়ুবিজ্ঞান এই চেহারায় সমর্থন করে না। সত্যিকারের অসমতা অবশ্যই আছে — বেশিরভাগ ডানহাতি মানুষের ভাষার প্রধান এলাকাগুলো বাঁ দিকে থাকে, আর স্থান-সংক্রান্ত কিছু কাজের প্রক্রিয়া ডান দিকে ঝোঁকে। কিন্তু একটুও জটিল কোনো কাজ কেবল একটা গোলার্ধ দিয়ে হয় না, আর ২০১০-এর দশকের মস্তিষ্ক-চিত্রণের গবেষণায় বিশ্রামের সময়ের মস্তিষ্ক-কাজে "ডান-প্রধান ধরনের মানুষ" বলে কিছুই পাওয়া যায়নি।
তাই এই পরীক্ষা মাপে অন্য কিছু, আর সেটা একেবারেই সত্যিকারের জিনিস: তথ্য সামলানোর ক্ষেত্রে আপনার ধরন। কিছু মানুষ কাজ করেন পরপর ধাপে — মিলিয়ে দেখেন, লিখে রাখেন, ভাগ করে নেন। অন্যরা গোটা চেহারাটা ধরে ফেলেন, ছবিতে ভাবেন, আগে সিদ্ধান্ত নেন আর পরে যুক্তি সাজান। এটা শরীরের গড়নের প্রশ্ন নয়, ভাবনার অভ্যাসের প্রশ্ন — আর গোলার্ধের উল্টো, অভ্যাস নড়ে।
বাম/ডান শব্দজোড়াটা টিকে গেছে, কারণ ওটা সহজ আর বলার মতো। এখানে সেটা রাখা হয়েছে, তবে তার দাম জেনে: একটা কাজের রূপক, জীববিজ্ঞানের তথ্য নয়। ফলটা তবু আকর্ষণীয় থাকে একটা সরল কারণে: নিজের ধরনটা জানা থাকলে কাজের জায়গায় আর দলে অনেক ঘষা-লাগা বোঝা যায়, বিশেষ করে উল্টো ধরনের কারও সঙ্গে কাজ করার সময়।
কীভাবে কাজ করে
ষোলোটা বিবৃতি, প্রতিটায় ১ থেকে ৫-এ নম্বর, আর যান্ত্রিক উত্তর এড়াতে অর্ধেক বিবৃতি উল্টো করে লেখা। একটামাত্র অক্ষে আপনার গড় জায়গাটা হিসেব করে শতকরায় দেখানো হয়। ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেলে স্বজ্ঞানির্ভর ধরন জেতে। ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশের মধ্যে স্কোর মানে আপনি পরিস্থিতি বুঝে পদ্ধতি বদলান, আর এটাই সবচেয়ে চালু ঘটনা।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।