১৬ ব্যক্তিত্বের পরীক্ষা
চারটে অক্ষ, চব্বিশটা বিবৃতি, আর চার অক্ষরে আঁকা একটা প্রতিকৃতি।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
চার অক্ষের পরীক্ষাগুলোর উৎস মনস্তাত্ত্বিক ধরন নিয়ে কার্ল ইয়ুংয়ের কাজ, যেটা চল্লিশের দশকে একটা প্রশ্নমালায় রূপ পায়। বিজ্ঞানীমহল এর বিরুদ্ধে দুটো অভিযোগ তোলে: সময়ের সঙ্গে এর স্থিরতা মাঝারি, আর যেখানে বৈশিষ্ট্যগুলো ধারাবাহিক সেখানেই এটা কড়া কোঠায় ভাগ করে ফেলে — অনেক মানুষ কোনো অক্ষে ৫২ শতাংশে থাকেন আর সপ্তাহ বুঝে এক অক্ষর থেকে অন্য অক্ষরে চলে যান। এটা পরীক্ষা না দেওয়ার কারণ নয়, বরং ফলটাকে রায় নয় — প্রতিকৃতি হিসেবে পড়ার কারণ।
এই পরীক্ষা চারটে জিনিস মাপে। আপনি শক্তি কোথা থেকে পান, মানুষের মধ্যে না একা। আপনার মনোযোগ প্রথমে কী ধরে, বাস্তব না সম্ভাবনা। সিদ্ধান্তের সময় শেষ কথাটা কে বলে, বিষয়ের যুক্তি না মানুষের ওপর প্রভাব। আর আপনি নিজের সময় কীভাবে সাজান, ছক ধরে না সুযোগ বুঝে।
চব্বিশটা বিবৃতি, ১ থেকে ৫-এ নম্বর দেওয়া। এর অর্ধেক উল্টো করে লেখা, যাতে আপনি যান্ত্রিকভাবে একই কলামে টিক দিয়ে না যান। বেরিয়ে আসা প্রতিকৃতিগুলো ইচ্ছে করেই তোষামোদহীন: যে ব্যক্তিত্বের ধরনে কেবল গুণ থাকে, তার কোনো কাজ নেই, কারণ সেটা বলে না আপনি কোথায় সময় নষ্ট করছেন।
কীভাবে কাজ করে
প্রতিটি অক্ষে ছয়টা বিবৃতি পড়ে, তার তিনটে উল্টো করে লেখা। প্রতিটিতে আপনার গড় অবস্থান শতকরা হিসেবে বের করা হয়; ৫০ শতাংশ ছাড়ালে উঁচু দিকের অক্ষরটা জেতে। চারটে অক্ষর মিলে আপনার সংকেত। কোনো অক্ষ ৫০ শতাংশের কাছাকাছি হলে বুঝবেন আপনি দুই দিকেই পা রেখে আছেন: পাশের প্রতিকৃতিটাও পড়ে নিন।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।