🔮

স্বজ্ঞার পরীক্ষা

প্রথম ঝোঁকেই ঠিক করেন নাকি কেবল প্রমাণ দেখে — জানতে ষোলোটা পরিস্থিতি।

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

কারও কাছে স্বজ্ঞার বদনাম, আর কারও কাছে বাড়িয়ে বলা সুনাম। গবেষণা এর চেয়ে নির্দিষ্ট কিছু বলে: আমরা যাকে স্বজ্ঞা বলি, সেটা আসলে ছাঁদ চেনা। মনোবিজ্ঞানী গ্যারি ক্লাইন দমকলকর্মী, নবজাতক বিভাগের নার্স আর বিমানচালকদের নিয়ে কাজ করে দেখিয়েছেন, এই পেশাজীবীরা কোনো বিকল্প তুলনা না করেই কয়েক সেকেন্ডে দুর্দান্ত সিদ্ধান্ত নেন — কারণ বছরের পর বছর একই ধরনের ঘটনা তাঁদের শিখিয়ে দিয়েছে একটা বিন্যাস আর তার সম্ভাব্য পরিণতি চিনতে।

ড্যানিয়েল কানেমান, যিনি বহুদিন এই ধরনের দাবির সমালোচক ছিলেন, শেষে ক্লাইনের সঙ্গে মিলেই একটা প্রবন্ধ লেখেন সীমানা টেনে দিতে। তাঁদের অভিন্ন সিদ্ধান্ত: বিশেষজ্ঞের স্বজ্ঞা আছে, তবে তার দুটো শর্ত লাগে। পরিবেশটা এতটা নিয়মিত হতে হবে যাতে স্থির ছাঁদ থাকে, আর দীর্ঘ চর্চার মধ্যে নিজের ভুলের ফল ফিরে পেয়ে সেই ছাঁদগুলো শেখার সুযোগ থাকতে হবে। এই শর্ত না থাকলে — শেয়ারবাজার, রাজনৈতিক ভবিষ্যদ্বাণী, তিন মিনিট দেখা একজন মানুষ নিয়ে রায় — একই নিশ্চয়তার অনুভূতি থেকে যায়, আর সেটা বিভ্রান্তিকর হয়ে ওঠে।

এটাই মূল কথা, আর সবচেয়ে অস্বস্তিকর কথা: নির্ভরযোগ্য স্বজ্ঞা আর ভিত্তিহীন স্বজ্ঞা ভেতর থেকে ঠিক একই রকম লাগে। এই পরীক্ষা ধীর-দ্রুত অক্ষে আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ধরনটা বসিয়ে দেয়; আপনি ঠিক কি না তা সে বলতে পারে না। ওই অংশটা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আপনার ঘণ্টার সংখ্যার ওপর।

কীভাবে কাজ করে

প্রতিটা উত্তর ০, ২ বা ৪ নম্বর পায় — দ্রুত সিদ্ধান্তকে আপনি কতটা জায়গা দেন তার ওপর। মোট নম্বর ১০০-র হিসেবে এনে একটা অনুকৃত বিন্যাসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখানো হয়। উঁচু স্কোর মানে আপনার স্বজ্ঞা ঠিক তা নয়: এটা কেবল বোঝায় আপনি কত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন, আর নিজের প্রথম ছাপে কতটা ভরসা রাখেন।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।