ছেলেটিকে কি আমার সত্যিই ভালো লাগে?
ষোলোটা প্রশ্ন, যাতে বোঝা যায় এটা সত্যিই ও, নাকি ওকে কাছে পাওয়ার আরামটা।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
'ওকে কি আমার সত্যিই ভালো লাগে?' — প্রশ্নটা বাইরে থেকে অদ্ভুত শোনায়: নিজের অনুভূতি না জানা কী করে সম্ভব? বাস্তবে এটা খুবই সাধারণ। কেউ যখন রোজকার দৃশ্যের অংশ হয়ে যায় — অনেক দিনের বন্ধু, সহকর্মী, ক্লাসের পাশের মানুষ — তখন মায়া আর টান মিশে যায়, আর ওদের আলাদা করার ক্ষমতাটাই হারিয়ে যায়। অভ্যাস ভালোবাসার দারুণ নকল করে: মানুষটা সরে গেলে দুটোই অভাব তৈরি করে।
এই পরীক্ষা সরাসরি প্রশ্নটা এড়িয়ে যায়, কারণ সরাসরি প্রশ্ন সবসময়ই আমরা যে উত্তরটা শুনতে চাই সেটাই তৈরি করে। বরং আশপাশের খুঁটিনাটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়: দিনের গল্পগুলো আপনি কাকে বলেন, ও অন্য কারও কথা বললে আপনার কী হয়, ওর মুখটা আপনার সুন্দর লাগে নাকি শুধু চেনা, ভবিষ্যৎ ভাবলে কী দেখেন। এই উত্তরগুলো অনেক কম মিথ্যা বলে।
বেশি স্কোর আপনাকে বলে না কী করতে হবে। শুধু বলে যে আপনি বেছে নিয়েই ফেলেছেন, আর এখন বাকি কেবল সেটা মেনে নেওয়া — আগে নিজের কাছে, তারপর ওর কাছে, যদি আপনি সেটা ঠিক করেন।
কীভাবে কাজ করে
প্রতিটা উত্তরের মান ০ থেকে ৪ পয়েন্ট, নির্ভর করে সেটা নিছক মায়ার বদলে টানের কতটা ইঙ্গিত দেয় তার ওপর। মোটটা ১০০-তে নামিয়ে এনে অন্য অংশগ্রহণকারীদের বণ্টনের সঙ্গে মেলানো হয়। আপনার ব্রাউজারের বাইরে কিছুই পাঠানো বা জমা হয় না।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।