🚩

আপনি কোন রেড ফ্ল্যাগ?

সবারই একটা আছে। আপনার সেটার শুধু একটা নাম আছে, আর সেটাই আমরা বের করব।

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

রেড ফ্ল্যাগ কথাটা কয়েক বছরেই ইন্টারনেট ফোরামের ভাষা থেকে পারিবারিক খাবার টেবিলের ভাষায় চলে এসেছে। মূলে এটা মানে, পরিচয়ের শুরুতেই চোখে পড়া একটা সতর্কসংকেত: একটা কথা, একটা অভ্যাস, একটা প্রতিক্রিয়া, যা পরের গল্পটা আগেই বলে দেয়। সমস্যা হলো, কথাটা প্রায় সবসময়ই অন্যদের নিয়ে বলা হয়, নিজেকে নিয়ে কখনোই নয়।

এই পরীক্ষা মুখটা ঘুরিয়ে দেয়। খুব সাধারণ ষোলোটা পরিস্থিতি — একটা পরিকল্পনায় সায় দেওয়া, রাত এগারোটার মতবিরোধ, হঠাৎ ফিরে আসা প্রাক্তন — এতেই বেরিয়ে আসে সেই ছাঁদটা, যেটা আপনি না দেখেই বারবার করেন। আটটা ছবি সম্ভব: উবে যাওয়া ভূত, খোঁজখবর রাখা নিয়ন্ত্রক, চিরকালের দোদুল্যমান, আগ্নেয়গিরি, বড় খোকা, যোগাযোগের সংগ্রাহক, হারানো কারণের উদ্ধারকর্তা, আর দম নেওয়ার ফাঁক না রাখা গা-ঘেঁষা মানুষ।

এর একটাও দণ্ডাজ্ঞা নয়, আর এই পরীক্ষা স্পষ্টতই কোনো রোগনির্ণয় নয়। যে রেড ফ্ল্যাগ স্বীকার করে নাম দেওয়া হয়, সেটা একটা আলোচনাযোগ্য অভ্যাস হয়ে যায়; যেটা অদৃশ্য থাকে, সেটা এমন এক বিচ্ছেদ হয় যার কারণ কেউ বুঝতে পারে না। এখানে লক্ষ্য হলো নিজেকে নিয়ে এতটা খোলাখুলি হাসতে পারা, যাতে পরের বার ছাঁদটা ফিরে এলে আপনি চিনে ফেলেন।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।