আপনার আসল চালিকাশক্তি কী?
সকালে আপনাকে যা বিছানা থেকে তোলে, সেটা আপনার জীবনবৃত্তান্তে লেখা থাকে না। চলুন তার নাম দিই।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
আমরা প্রায়ই প্রেরণা আর লক্ষ্য গুলিয়ে ফেলি। লক্ষ্য দু বছরেই বদলায় — পদ, শহর, প্রকল্প — অথচ চালিকাশক্তি আশ্চর্যরকম স্থির থাকে: এটা সেই জিনিস যা না থাকলে বাকি সবকিছুর আগ্রহই উবে যায়। দুজন মানুষ হুবহু একই পদোন্নতি চাইতে পারে, একজন যাতে পরের মাস নিয়ে আর ভয় না থাকে, অন্যজন যাতে মিটিংয়ে তার নামটা উচ্চারিত হয়। একই লক্ষ্য, দুটো বিপরীত চালিকাশক্তি, আর দুটো পথ যা একেবারে আলাদা জায়গায় গিয়ে শেষ হবে।
এই পরীক্ষা ছয়টা চালিকাশক্তি আলাদা করে, যেগুলো মানুষের জীবনকাহিনিতে বারবার ফিরে আসে: স্বীকৃতি (দেখা যাওয়া আর নাম ধরে ডাকা হওয়া), নিরাপত্তা (আর পাহারা দিতে না হওয়া), স্বাধীনতা (অনুমতি না চাওয়া), দক্ষতা (সত্যিই ভালো হয়ে ওঠা), সম্পর্ক (ঠিক লোকদের সঙ্গে কাজ করা) আর প্রভাব (কারও জন্য কিছু বদলানো)।
ষোলোটা বাস্তব প্রশ্নই এগুলো আলাদা করতে যথেষ্ট, কারণ চালিকাশক্তি আমরা যা চাই তার চেয়ে আমরা যা প্রত্যাখ্যান করি তাতেই বেশি ফুটে ওঠে। কল্পনার সবচেয়ে বাজে সপ্তাহ, যে কথায় দরজা আছড়ে বেরোনো হয়, যে কাজটা কেন জানি না বলেই পিছিয়ে দেওয়া হয়: ওখানেই এটা দেখা যায়। কেউই একটামাত্র চালিকাশক্তিতে চলে না, কিন্তু প্রায় সবারই একটা থাকে যা শেষ কথা বলে।
কীভাবে কাজ করে
প্রতিটা উত্তর ছয়টা চালিকাশক্তির একটায় পয়েন্ট দেয়। ষোলোটা প্রশ্নে যেটা সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট জমায় সেটাই ধাঁচ হিসেবে বাছা হয়, আর প্রত্যাখ্যানের ওজন পছন্দের সমানই: 'আপনার সবচেয়ে বাজে সপ্তাহ' প্রশ্নের উত্তর প্রায়ই 'আপনার স্বপ্ন' প্রশ্নের উত্তরের চেয়ে বেশি কথা বলে।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।