😴

ঘুমের পরীক্ষা

আপনার রাতগুলো নিয়ে আঠারোটা প্রশ্ন। কথা হবে অভ্যাস নিয়ে, রোগনির্ণয় নিয়ে নয়।

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

ঘুম নিয়ে কথা হয় অনেক, মাপা হয় বেশ খারাপভাবে। তবু কয়েকটা খুঁটি মজবুতভাবে প্রতিষ্ঠিত। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ঘুম নিয়ে কাজ করা বিজ্ঞানসংস্থাগুলো রাতে অন্তত সাত ঘণ্টার সুপারিশ করে, আর বেশিরভাগ মানুষ থাকেন সাত থেকে নয় ঘণ্টার মধ্যে; নিয়মিত ছয় ঘণ্টার নিচে নামলে মনোযোগ আর মনমেজাজে প্রভাব মেপে দেখা যায়।

ক্যাফেইন শরীর থেকে ধীরে বেরোয়: সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের ক্ষেত্রে এর অর্ধায়ু প্রায় পাঁচ ঘণ্টা, আর ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে বড় তফাত থাকে। সহজ কথায়, বিকেল ৫টায় খাওয়া কফির অর্ধেক রাত ১০টাতেও শরীরে ঘুরছে। আর সাধারণ ধারণার উল্টো, সময়ের নিয়মিততা প্রায়ই মোট দৈর্ঘ্যের চেয়ে বেশি নির্ণায়ক: সাম্প্রতিক কাজ দেখায়, স্থির শোয়া-ওঠার সময় জমানো ঘণ্টার সংখ্যার চেয়ে ভালোভাবে বিশ্রামের গুণমান আর পরদিনের অবস্থা আগে থেকে বলে দেয়।

তাই এই পরীক্ষা অভ্যাস নিয়েই: সময়, পর্দা, ক্যাফেইন, সকালের আলো, বিছানার ব্যবহার। এটা কিছুই শনাক্ত করে না আর কোনো রোগনির্ণয় করে না। কেবল বলে দেয়, আপনার কোন রুটিনগুলো আপনার পক্ষে কাজ করছে আর কোনগুলো বিপক্ষে।

কীভাবে কাজ করে

প্রতিটা উত্তর শূন্য থেকে চার নম্বর পায়, আর মোট নম্বর ১০০-র হিসেবে আনা হয়। নম্বর যায় সেইসব অভ্যাসে, যাদের ঘুমের ওপর প্রভাব নথিবদ্ধ: সময়ের নিয়মিততা, শোয়ার থেকে দূরে ক্যাফেইন, অন্ধকার ও ঠান্ডা ঘর, কেবল ঘুমের জন্য বিছানা, সকালে দিনের আলো। কম স্কোর কেবল শুধরে নেওয়ার মতো রুটিনগুলো দেখিয়ে দেয়, আর কিছুই নয়।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।