🔬

বিজ্ঞানের কুইজ

পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা, জ্যোতির্বিদ্যা, মানবদেহ। কুড়িটা প্রশ্ন, আন্দাজের জায়গা নেই।

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

বিজ্ঞানভাবনার একটা বিশেষত্ব হলো, সূত্রের চেয়ে মাপের ধারণা দিয়েই সেটা ভালো বিচার করা যায়। আলো সেকেন্ডে প্রায় ৩,০০,০০০ কিলোমিটার যায় — এটা জানা রোজকার জীবনে তার থেকে বেরোনো সমীকরণ মুখস্থ বলার চেয়ে বেশি কাজের: এই সংখ্যাটাই বুঝিয়ে দেয় কেন সূর্য থেকে একটা সংকেত আসতে আট মিনিট লাগে, কিংবা কেন মঙ্গলের সঙ্গে কখনোই সরাসরি কথা বলা যাবে না।

একটা যাচাইযোগ্য আর উল্টো-বোধের তথ্য: মহাবিশ্বের সাধারণ পদার্থের ভরের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই একা হাইড্রোজেন, অথচ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে মুক্ত অবস্থায় সেটা প্রায় দেখাই যায় না, কারণ এত হালকা হওয়ায় সে আমাদের অভিকর্ষ ছেড়ে পালিয়ে যায়। অর্থাৎ ব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে প্রচুর মৌলটা আমাদের নিশ্বাসের বাতাসে প্রায় অনুপস্থিত। স্থানীয় মাপ আর ব্রহ্মাণ্ডীয় মাপের এই ফারাকই বিজ্ঞানকে ধাঁধার মতো করে তোলে।

উন্নতির জন্য একটা নীতিই যথেষ্ট: নামের আগে কলকৌশল শিখুন। মাইটোকন্ড্রিয়া কেন শক্তি বানায় তা বুঝলে নামটা আপনিই এসে যায়, উল্টোটা কখনো কাজ করে না। আর একক সবসময় যাচাই করুন: বিজ্ঞানের কুইজে বড় একটা অংশ ভুল আসলে জ্ঞানের ভুল নয়, মাপ গুলিয়ে ফেলার ভুল।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।