পাখির খেলা
ডানা ঝাপটাতে চাপ দিন, পাইপের ফাঁক দিয়ে যান, কিছুতে ছোঁয়া লাগাবেন না।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
এক বোতামের এই খেলার ধরনটা ২০১৪ সালের শুরুতে বিশ্বজোড়া হুজুগ হয়ে উঠেছিল, আর এর নামডাক একটা হেঁয়ালি থেকে: শেখার কিছু নেই, রপ্ত করার মতো কোনো কৌশল নেই, কঠিন হওয়ার কোনো ধাপও নেই, তবু বেশিরভাগ খেলোয়াড় পাঁচটা পাইপ পেরোতে পারে না। গোটা খেলাটা একটাই সিদ্ধান্তের মধ্যে ধরা, যা ঠিক ফ্রিকোয়েন্সিতে বারবার নিতে হয়: চাপব, না চাপব না।
পদার্থবিদ্যার দিক থেকে প্রতিটা ঝাপটা খাড়া গতিকে ওপরের দিকে একটা নির্দিষ্ট মানে বসিয়ে দেয়, তারপর অভিকর্ষ সঙ্গে সঙ্গে আবার দখল নেয়। অর্থাৎ আপনি কোনো উচ্চতা চালাচ্ছেন না, দুই চাপের মধ্যবর্তী ব্যবধান চালাচ্ছেন। খারাপ খেলোয়াড়েরা যা দেখে তার প্রতিক্রিয়ায় চাপে, তাতে করাতের দাঁতের মতো সামলানো-অসম্ভব একটা পথ তৈরি হয়; ভালোরা প্রায় মেট্রোনোমের মতো একটা তাল বসায় আর তাতে কেবল কয়েক দশ মিলিসেকেন্ডের হেরফের করে।
একমাত্র আসল টিপস: ফাঁকের মাঝখান নয়, নিচের এক-তৃতীয়াংশ লক্ষ্য করুন। একটা বাড়তি ঝাপটা অপেক্ষা করলেই শোধরানো যায়, কিন্তু পাখি নিচের পাইপের নিচে চলে গেলে বেশি লম্বা পড়া আর কোনোভাবেই শোধরানো যায় না।
কীভাবে কাজ করে
মাটি ও ছাদসুদ্ধ ধাক্কা লাগার আগে পুরোপুরি পেরোনো পাইপ গোনা হয়। ফাঁক নির্দিষ্ট আর পাইপের মধ্যে দূরত্বও বদলায় না: খেলাটা জোরে হয় না, অর্থাৎ বেশি স্কোর প্রতিক্রিয়ার গতি নয়, স্থিরতা মাপে। ১০০-তে স্কোর পঁচিশটা পাইপে ছাদে ঠেকে।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।