🧱

ইট ভাঙার খেলা

বল ফিরিয়ে দিন, ইট ভাঙুন, বলটা পেরিয়ে যেতে দেবেন না।

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

ইট ভাঙার খেলার জন্ম সত্তরের দশকের মাঝামাঝি আর্কেড মেশিনে, ব্যাট-বল খেলার একক সংস্করণ হিসেবে: সামনে প্রতিপক্ষের বদলে ভাঙার জন্য একটা ইটের দেয়াল। ধারণাটা দিব্যি টিকে গেছে, কারণ গোটাটাই জ্যামিতির ওপর দাঁড়ানো — বল কোন কোণে ফেরত যাবে তা শুধু ব্যাটের কোন জায়গায় লেগেছে তার ওপর নির্ভর করে, আর কিছুর ওপর নয়।

এখানেই ভালো খেলোয়াড় আলাদা হয়ে যায়। নতুন খেলোয়াড় ব্যাটের মাঝখান দিয়ে বল ফেরায়, ফলে বল প্রায় সোজা ওপরে ওঠে আর দেয়ালে কিছুই বদলায় না। অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ইচ্ছে করেই কিনারা দিয়ে মারে, বলটাকে প্রায় শুয়ে পড়া কোণে এক পাশে পাঠায়, ইটের মধ্যে একটা খাড়া গলি কেটে ফেলে, তারপর সেই গলি দিয়ে বলটা ঢুকিয়ে দেয়ালের পিছনে কয়েক সেকেন্ড ধরে লাফাতে দেয়। একটা ভালোভাবে বসানো বল তিরিশটা সাবধানি ফেরতের চেয়ে বেশি আনতে পারে।

দ্বিতীয় ফাঁদটা কিনারার আতঙ্ক। বল যখন কোনায় চলে যায়, সহজাত ইচ্ছেটা হয় তার পিছনে ছোটা আর দেয়ালে সেঁটে থাকা — অথচ ঠিক তখনই পরের ফেরত অসম্ভব হয়ে পড়ে। বল ওপরে উঠতে শুরু করলেই মাঝখানের দিকে ফিরে আসুন: ওই জায়গা থেকেই সব কোণ এখনো সামলানো যায়।

কীভাবে কাজ করে

প্রতিটা ইট দশ পয়েন্ট, আর গোটা দেয়াল ভাঙলে বাড়তি একশো, সঙ্গে পরের স্তরে আরও জোরে ছোটা বল। আপনার হাতে তিনটে প্রাণ। ১০০-তে স্কোর শূন্য থেকে শুরু হয়ে ৯০০ পয়েন্টে ছাদে ঠেকে, অর্থাৎ চারটে গোটা দেয়ালের কিছু বেশি।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।