শিল্প ও চিত্রকলার কুইজ
ঘরানা, কৌশল আর জাদুঘর নিয়ে কুড়িটা প্রশ্ন। ওপরের পালিশে কাজ হবে না।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
শিল্পের ইতিহাস নামের চেয়ে কৌশল ধরে অনেক ভালো মনে থাকে। কোনো ঘরানা প্রায় কখনোই নিছক একটা ভাবনা নয়: তার গোড়ায় থাকে বদলে যাওয়া একটা বস্তুগত শর্ত। ইমপ্রেশনিজমের অনেকটা ঋণ ১৮৪০-এর দশকে টিনের রঙের টিউব আবিষ্কারের কাছে, যা স্টুডিওর ছবি ছেড়ে বিষয়ের সামনে দাঁড়িয়ে আঁকা সম্ভব করে তোলে। ওই টিউব না থাকলে খোলা জায়গায় বসা হতো না, তাই চল্লিশ মিনিটে ধরা আলোও থাকত না।
আল্ট্রামেরিনের গল্পটা আরও স্পষ্ট। উনিশ শতকে কৃত্রিম বিকল্প তৈরি হওয়ার আগে চিত্রকরদের হাতে থাকা সবচেয়ে গাঢ় নীল আসত আফগানিস্তান থেকে আনা ল্যাপিস লাজুলি গুঁড়ো করে, আর ওজনের হিসেবে তার দাম ছিল সোনার চেয়েও বেশি। তাই বরাতের চুক্তিতে লিখে দেওয়া হতো কতটা নীল ব্যবহার করা যাবে, আর রংটা বরাদ্দ থাকত ছবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখগুলোর জন্য। রঙের এই ক্রমটা আসলে ছিল বাজেটের ক্রম।
উন্নতির সেরা অভ্যাস হলো বিষয়ের বদলে ছবির উপরিতলের দিকে তাকানো। ফ্রেস্কো বাধ্যতামূলকভাবে দেয়ালের, আর বাধ্যতামূলকভাবে দ্রুত, কারণ পলেস্তারা শুকিয়ে যায়। টেম্পেরায় রেখা পরিষ্কার আর রং ম্যাট। তেলরং গ্লেজ করতে দেয়, তাই গভীরতা আসে। কে এঁকেছেন তা জানার আগেই বোঝা যায় কখন আর কীভাবে আঁকা — আর আসল আনন্দ সাধারণত ওখান থেকেই শুরু।
কীভাবে কাজ করে
চারটে উত্তরের কুড়িটা প্রশ্ন, সবচেয়ে চেনা ছবি থেকে কৌশলের খুঁটিনাটি পর্যন্ত, আর প্রতিবারে একটাই ঠিক উত্তর। ছবিগুলো কেবল কথায় বর্ণনা করা হয়, কখনো দেখানো হয় না। শেষে গোটা ব্যাখ্যা দেখানো হয়।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।